ধরাছোঁয়ার বাইরে পালংখালীর ইয়াবা ব্যবসায়ী দুই সহোদর।

 ২০১৯-০৯-০৬  ১২:৩৭ এএম
 নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

ধরাছোঁয়ার বাইরে পালংখালীর ইয়াবা ব্যবসায়ী দুই সহোদর।

 কক্সবাজার প্রতিনিধি : কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় ধরাছোঁয়ার বাইরে পালংখালীর দুই মাদক ব্যবসায়ী (১) মোস্তাফা (২২)ও তার ছোট ভাই  (২) ওসমান হনি(২০) তাদের মা মমতাজ বেগম (৪৫) প্রশাসন যখন মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার মাধ্যমে সারাদেশে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছেন।

ঠিক তখনই প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে চলে যায় উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের গয়ালমারা এলকার মমতাজ বেগমের দুই ছেলে মোঃ মোস্তাফা ও ওসমান গনি। 
জানা যায়,মাদক ব্যবসায়ী মোস্তাফা কিছুদিন আগে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ চট্রগ্রাম কর্ণফুলী থানা পুলিশের হাতে আটক হয়ে কারাগারে যান।কারাগার থেকে আসার পর আবার ইয়াবা ব্যবসায় সক্রিয় হযে উঠে এই মাদক ব্যবসায়ী।
শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ও ইয়াবা'সম্রাট নামে পরিচিত (০১) মোস্তাফা ও তার সহোদর ছোট ভাই ওসমান গনি (০২) তাদের মা মমতাজ বেগম। ইতিমধ্যে তাদের নিজস্ব জায়গা সহ কোটি কোটি টাকার মালিক। স্হানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়,এই মাদক ব্যবসায়ী মোস্তাফা ও তার মা সহ পুরো পরিবার এক সময় বসবাস করত সরকার কর্তৃক দেওয়া আশ্রয়ন কেন্দ্রে প্রকাশ দশঘরপাড়ায়। তখন তাদের সংসার চলতো কোনরকম খেয়ে না খেয়ে থাকার মত তাদের ঘরে নুন আনতে পান্তা পুরাই অবস্হা।যখন থেকে পুরো পরিবার ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িয়ে পড়ে তখন থেকে তার পরিবারের পরিবর্তন।চোখের সামনে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছে।
সচেতন মহল ও স্হানীয়দের দাবি
পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর'সহ সকল প্রশাসনিক দপ্তরগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মাদক গডফাদার ও ইয়াবা সম্রাট মোস্তাফা ও ওসমান সহ তার মা কে গ্রেপ্তার করলে মাদক নিয়ন্ত্রণ/মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ আরও একধাপ এগিয়ে যাবে বলে মনে করেন। 
এছাড়াও মাদকের বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও কঠোর হুঁশিয়ারীকে বাস্তবায়ন করতে সকল প্রশাসন দ্রুত তাদের গ্রেপ্তার করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবি জানান।

উল্লেখ্য ৪ সেপ্টেম্বর (বুধবার) বান্দরবান 
শহরে অভিযান চালিয়ে ৫শ পিস ইয়াবাসহ এক নারী আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

আটককৃতের নাম নুরনাহার (৪৫)। বুধবার ৪সেপ্টেম্বর রাত ১০টার দিকে বান্দরবান শহরের ১নং গলিতে নিউ বনফুল হোটেলের ভিতরে থেকে এই নারী ইয়াবা পাচারকারীকে আটক করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায় জেলা গোয়েন্দা সংস্থায় কর্মরত এ এইচ এম তৌহিদ কবিরের নেতৃত্বে গোয়েন্দা শাখার একটি বিশেষ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বান্দরবানের এক নম্বর ফুলের ভেতর থেকে অভিযান চালিয়ে ৫শ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার মূল্য প্রায় দেড় লক্ষ টাকা।

এ বিষয়ে জেলা গোয়েন্দা সংস্থার অফিসার ইনচার্জ এএইচএম তৌহিদ কবির বলেন, আটককৃত মহিলার বিরুদ্ধে বান্দরবান সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১০১৮ এর ৩১ এর ১০(ক) এর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।


কলার সাথে পাঁচশ ইয়াবা ট্যাবলেট গিলে খেয়ে কৌশলে বিক্রির জন্য বান্দরবানে নিয়ে এসেছিল কক্সবাজারের উখিয়ার বাসিন্দা নুর নাহার (৪৫)।

রাতে একটি হোটেলে রুম নিয়ে সেখানে পাতলা পায়খানার ওষুধ খেয়ে পেটের ভিতর ইয়াবা ট্যাবলেট গুলো বের করে নিয়েছিল ঐ নারী।

তবে শেষ রক্ষা হয়নি। ইয়াবা ট্যাবলেট গুলো বিক্রি করতে গিয়ে ধরা পড়ল ডিবি পুলিশের হাতে। ৫০০ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করা হয় নুর নাহারকে।

ডিবি পুলিশের কর্মকর্তা (ওসি) ইন্সপেক্টর তোহিদ কবীর জানিয়েছেন, কক্সবাজারের উখিয়ার পালংখালীর বাসিন্দা সৈয়দ হোসেনের স্ত্রী নুর নাহার অভিনব কৌশলে পাঁচশ ইয়াবা ট্যাবলেট গিলে খেয়ে তা বিক্রির জন্য বান্দরবানে নিয়ে এসেছিল।

পরে মঙ্গলবার রাতে শহরের একটি আবাসিক হোটেলে লুজ মোশন এর ওষুধ খেয়ে পেটের ভিতর থাকা ইয়াবা ট্যাবলেট গুলো বের করে নেয়।

বুধবার সকাল থেকে সারাদিন ইয়াবা ট্যাবলেট গুলো বিক্রির উদ্দেশ্যে হোটেল থেকে বের হওয়ার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই নারীকে আটক করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে নুরনাহার ইয়াবা বিক্রির কথা স্বীকার করেছে। বান্দরবানে একটি চক্র ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িয়ে পড়েছে বলে ওই পুলিশ কর্মকর্তা জানান। বর্তমানে নারীদের ব্যবহার করা হচ্ছে এ ব্যবসায়।স্হানীয় সূত্রে আরো জানা যায়,সে নারী যে ইয়াবা গুলো বহন করে নিয়ে গেছে তার প্রকৃত মালিক পালংখালী গয়ালমারা এলাকার বাসিন্দা আবুল কালামের স্ত্রী মমতাজ বেগম ও তার দুই ছেলের।