নিউজ ডেস্ক :

অ্যামাজন একটা সুপার মার্কেট চালু করেছে। সেখানে নেই ক্যাশিয়ার, নেই পণ্য স্ক্যান করানোর ঝুট ঝামেলা। আপনি যাবেন, পছন্দের জিনিস নেবেন; ব্যস হাতে বা ব্যাগে নিয়ে চলে আসবেন। কেউ আপনাকে থামাবে না!

তবে আপনার একটি স্মার্টফোন থাকতে হবে। আর ওই ফোনে নামানো থাকবে ‘অ্যামাজন গো’-এর অ্যাপ।

যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে আজ সোমবার থেকেই এ ধরনের সুপারশপ চালু করে দিয়েছে অ্যামাজন।

অন্যান্য সুপারশপে একজন ক্যাশিয়ার থাকেন, তিনি পণ্য স্ক্যান করেন। অ্যামাজনের ওই সুপার শপে পণ্য স্ক্যান করানোর ঝামেলাও নেই। ক্রেতা যা নিচ্ছেন, তা ‘অ্যামাজন গো’ অ্যাপেই জানা যাচ্ছে আর সেখানেই তথ্য উঠে যাচ্ছে- কী কেনা হলো, কত খরচ হলো। ক্যামেরা আর অ্যাপের প্রযুক্তিটা এভাবেই ব্যবহার করা হয়েছে। এমনকি বিক্রেতা যদি কোনো পণ্য পরিবর্তনও করেন সেটার তথ্যও চলে আসবে আর খরচের পরিমাণ যোগ হবে।

আর টাকা কীভাবে পরিশোধ হবে? সহজ উত্তর- মোবাইলের মাধ্যমেই।

ওই সুপারশপে আপনাকে ঘিরে রাখবে শতাধিক উন্নত প্রযুক্তির ক্যামেরা। এসব ক্যামেরা মানুষের সঙ্গে মানুষের, বিভিন্ন পণ্যের সঙ্গে পণ্যের পার্থক্য করতে পারে। এমনকি একই মোড়কের ভিন্ন স্বাদের পণ্যও আলাদা করতে পারে এসব ক্যামেরা।

এ ছাড়া ওজন নির্ণয়ের জন্যও স্পর্শভিত্তিক প্রযুক্তি বা সেন্সর স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিটি পণ্যের নির্দিষ্ট ওজন অনুযায়ী রেকর্ড রাখে এই সেন্সর। পণ্য তুলে নিলে, আবার রেখে দিলেও রেকর্ড থাকবে এই সেন্সরে।

অ্যামাজনের এক কর্মকর্তা জানান, সুপারশপটি ২০১৬ সালে পরীক্ষা করার জন্য খোলা হয়। খুব দ্রুত তা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এমনটা আশা করা হচ্ছিল। কিন্তু কাছাকাছি শারীরিক গঠনের মানুষদের নির্ণয় করার ক্ষেত্রে বাধার সম্মুখীন হচ্ছিল প্রযুক্তি। এ ছাড়া শিশুরা এক তাকের জিনিস আরেক তাকে রেখে দেওয়ায়ও সমস্যা হচ্ছিল।

সিয়াটলের ওই সুপারশপটি এক হাজার ৮০০ বর্গফুটের। সকাল ৮টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সপ্তাহে পাঁচদিন সুপারশপটি খোলা থাকবে।

অ্যামাজন জানিয়েছে, ক্রেতাদের লাইন ধরার মতো কষ্ট না দেওয়ার জন্যই ওই ব্যবস্থা।