উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের সাহিত্য চিরকালীন ও চিরসবুজ
আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সমাজবিজ্ঞানী ও শিক্ষায় একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. অনুপম সেন বলেন, উইলিয়াম শেক্সপিয়ার ইংরেজি ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক এবং বিশ্বের একজন অগ্রণী নাট্যকার। তিনি যখন লিখছিলেন, তখন ইংল্যান্ডের জনসংখ্যা ছিল খুবই কম। কিন্তু আজ পৃথিবীর অগণিত লোক তাঁর লেখা পড়ছে। তিনি অনেকগুলো নাটক ছাড়াও লিখেছেন সনেট, দীর্ঘ আখ্যানকবিতা, উপন্যাস প্রভৃতি। এক্ষেত্রে হ্যামলেট, ম্যাকবেথ, কিং লিয়ার, জুলিয়াস সিজার প্রভৃতি নাটকের কথা উল্লেখ্য। বস্তুত তাঁর রচনা গভীর, তাৎপর্যপূর্ণ ও আসাধারণ শৈল্পিক, একারণে চিরকালীন ও চিরসবুজ।
গতকাল ২৫ জানুয়ারি ২০১৮, বৃহস্পতিবার, নগরীর জিইসি মোড়স্থ প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ৩৩ তম ব্যাচের নবীন বরণ ও ২৫ তম ব্যাচের বিদায় উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিভাগের চেয়ারম্যান সাদাত জামান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ইংরেজি সাহিত্যে উইলিয়াম শেক্সপিয়ার ছাড়াও শেলী, কীটস, বায়রন, টিএস এলিয়ট, এজরা পাউন্ড-এর মতো বড়ো বড়ো সাহিত্যিকের জন্ম হয়েছে। তাঁদের মাধ্যমে ইংরেজি সাহিত্য বিশ্বসাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
তিনি আরও বলেন, এদেশে ক্রমশ উচ্চমার্গীয় সাহিত্য সৃষ্টির ক্ষেত্রে ইংরেজি সাহিত্য তথা বিশ্বসাহিত্য সম্পর্কে জানার প্রয়োজন রয়েছে। তিনি রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, জীবনানন্দ দাশের মতো মহৎ ও বড়ো লেখকের জন্ম হয়েছে বলে তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন।
২৫ তম ব্যাচের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইংরেজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহীত উল আলম। এছাড়া সহকারী অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম, সৈয়দ জসিম উদ্দিন, রুমানা চৌধুরী ও শাহনাজ পারভিন সিঁথি বক্তব্য রাখেন। উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. তৌফিক সাঈদ।
অনুষ্ঠানে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা ও সাবেক সিটি মেয়র সদ্য প্রয়াত আলহাজ্ব এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদন করে ডেল স্টুডেন্টস জার্নাল ‘ইৎরপড়ষধমব’ (ব্রিকোলেজ)-এর মোড়ক উন্মোচনের পর বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন শিক্ষার্থী তাওহিদা শারমিন, টিয়া বড়–য়া ও মোস্তফা মোরশেদ।
পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।