মোঃ তাসলিম উদ্দিন  ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় উপজেলায় রাস্তায় রাস্তায় সাজানো হয়েছে ঘিট শুরু হচ্ছে তিন ব্যাপী জেলার ইজতেমা।

বৃহস্পতিবার ৪ জানুয়ারি    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শুরু হচ্ছে বিশ্ব ই্জতেমার একাংশ (জেলা ইজতেমা)। বৃহস্পতিবার সকালে আম বয়ানের মধ্যে দিয়ে সদর উপজেলার নাটাই দক্ষিণ ইউনিয়নের কালিসীমা-শালগাঁও স্কুল ও ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন তিতাস নদীর তীরে খিলের মাঠে তিনদিনব্যাপী এই বিশ্ব ইজতেমার একাংশ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন  করেছেন আয়োজকগন।

তারা জানান বিদেশী মেহমানদের
থাকার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে প্রায় ২৫ একর জায়গা জুড়ে নির্মান করা হয়েছে বিশাল প্যান্ডেল। মুসল্লীদের অজু করার জন্য পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। নির্মান করা অস্থায়ী ৮শত বাথরুম। ইতিমধ্যেই ইজতেমা মাঠে বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসল্লীরা এসেছে এবং অাসতেছে অনেক দ্বীনদার মেহমানরা। প্রশাসনের নজর জুরদার করা হয়েছে, জাগা জাগা ও মোড়ে মোড়ে  ট্রাপিক পুলিশ ও বিভিন্ন অাইন শৃঙ্খলার বাহিনারা দায়ত্ব পালন করছে।
এদিকে তিন দিনব্যাপী বিশ্ব ইজতেমার একাংশ সুন্দর ও সফলভাবে পালনের জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্যান্ডেলের মধ্যে বসানো হয়েছে ২৫টি সিসি ক্যামেরা। ইজতেমার ময়দানকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করে জল ও স্থলপথে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তার জন্য ৫৮৫ জন পুলিশ সদস্য নিয়োজিত করা হয়েছে। এছাড়াও রয়েছে র‌্যাব, বিজিবি, আমর্ড পুলিশ, নৌ-পুলিশসহ ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করবে। ময়দানের পাশে থাকবে অবজারভেশন পোস্ট। মুসল্লীদের চিকিৎসার জন্য সুব্যবস্থা রহিয়াছে।
 মুসল্লীরা জানান, গত বছর ১০/১২ লক্ষ লোকের সমাগম হয়েছিল। এবার লোক সংখ্যা আরো বাড়বে বলে আমরা আশা করছি। নির্ধারিত জায়গা ছাড়াও আশপাশের এলাকায় লোকজন অবস্থান নেয়। ইজতেমার মূল লক্ষ্য হল মানুষকে দ্বীনের পথে নিয়ে এসে। আখেরী মোনাজাতের মধ্যদিয়ে ৩ দিনব্যাপী এ ইজতেমার সমাপ্ত হবে।
এতে দেশ ও জাতির কল্যানের জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হবে। বিশ্ব ইজতেমা থেকে নেয়া শিক্ষা মানুষের ইহকাল ও পরকালের কল্যান বয়ে আনবে এ প্রত্যাশা অায়োজকদের।