চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিগত ৮ বছরে উন্নয়ন ও প্রগতির পথে দেশকে ধাবিত করেছেন। এই অগ্রযাত্রায় ধাক্কা দেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্র হচ্ছে। ষড়যন্ত্রকারীরা ৭১ সালের পরাজিত শক্তির প্রেতাত্মা, তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়িয়ে আগামী নির্বাচনে আবারো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারকে ক্ষমতাসীন করতে হবে। এজন্য ঘরে ঘরে দূর্গ তৈরি করতে হবে। তিনি ২৩ জানুয়ারী মঙ্গলবার সকালে রামপুর ওয়ার্ডের সদ্যপ্রয়াত জননেতা বীর মুক্তিযোদ্ধ, চট্টলবীর আলহাজ্ব এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর শোকসভায় উপস্থিত অতিথি ও নেতৃবৃন্দদের উদ্দেশ্যে এ কথাগুলো বলেন।

তিনি আরো বলেন, আমার প্রয়াত পিতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী দেশ, জাতি ও চট্টগ্রামের মঙ্গল চেয়েছেন। তিনি আপনাদেরকে সুন্দর ভবিষ্যত রচনা করার স্বপ্ন দেখিয়েছেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে পারলে তাঁর আত্মা শান্তি পাবে। এ কারণে বলি আজ শোক হোক শক্তির জাগ্রত প্রকাশ।

তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ এখন নিম্ন মধ্য আয়ের দেশ, প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার কর্মপরিকল্পনায় মিশন-ভিশন অনুযায়ী ২০৪১ সালে এদেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে। তাই তরুণ প্রজন্মকে সাহিত্য ও সংস্কৃতি, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজেদেরকে তৈরি করতে হবে। লক্ষ্য করছি, এই তরুণ প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করার জন্য একটি চক্র সক্রিয় হয়েছে। তথ্য প্রযুক্তি বা ফেইসবুকে তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংস করার আলামত সুষ্পষ্ট। এই বিপদগামীতা থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করার জন্য আমি তাদের অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার আহবান জানাই।

তিনি তাঁর পিতার স্মরণে আজকের আয়োজিত অনুষ্ঠানের অনুসঙ্গ হিসেবে স্থানীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সাবেক কাউন্সিলর আবদুস সবুর লিটনের মেজবান অনুষ্ঠানের আয়োজনে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী উপস্থিত অতিথি ও নেতৃবৃন্দদের উদ্দেশ্যে বলেন, একজন মহান নেতার প্রতি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতার বদান্যতায় এই যে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা ও মেজবান আয়োজন করে আওয়ামী পরিবারের সদস্যদের মধ্যে একটি দৃষ্টান্তমূলক নজির স্থাপন করেছেন। আমি আমার প্রয়াত নেতার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে এই আয়োজনের উদ্যোক্তার প্রতি স্নেহ সম্মান ও ভালবাসা জানাই। মহিউদ্দিন চৌধুরী কর্মী সৃষ্টির কারিগর, তাঁরই প্রমাণ রেখে গেছেন আবদুস সবুর লিটন।

সুধী সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আদনান, প্রচার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুক, শ্রম সম্পাদক আবদুল আহাদ, কার্যনির্বাহী সদস্য অমল মিত্র, মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক মো. মহিউদ্দিন বাচ্চু, যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকা, হালিশহর থানার আহ্বায়ক আলহাজ্ব ফয়েজ আহম্মদ, যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম কায়সার, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মো. আবুল কাশেম, যুগ্ম আহ্বায়ক দিলদার খান দিলু, মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহবুবুল হক চৌধুরী এটলীসহ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সকল স্তরের নেতাকর্মী জেয়াফত অনুষ্ঠানে শরিক হন।