হাটহাজারী প্রতিনিধি :: চট্টগ্রাম হাটহাজারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নে চারিয়া গ্রামে দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম জেলার আঞ্চলিক ইজতেমা।

এ নিয়ে বেশ আনন্দিত ও উৎফুল্ল চট্টগ্রামের ধর্মপ্রাণ মুসলামান। তাবলীগ জমাতের মুরুব্বীদের পরিকল্পনা ছিলো ৩৪জেলা করে দেশের সব জেলা এক বছর টঙ্গী ও অন্য বছর নিজস্ব জেলায় ইজতেমা করবে।

সে হিসেবে এ বছর চট্টগ্রাম জেলার ইজতেমা করার কথা ছিলো টঙ্গীর তুরাগ নদীর পাড়ের সু-বিশাল বিস্তীর্ণ মাঠে। কিন্তুু বছরের মাঝে এসে পাল্টে যায় সিদ্ধান্ত। ঘোষণা হয় এ বছরও (২০১৮) চট্টগ্রাম জেলার ২য় বারের মত ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে হাটহাজারীস্থ চারিয়ায়।

ইজতেমার তারিখ হচ্ছে এ মাসের ২৬,২৭,২৮ জানুয়ারি। হাটহাজারী সদর থেকে তিন কিলোমিটার উত্তরে মির্জাপুর ইউনিয়নের চারিয়া গ্রামে এ ধর্মীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

এ বছরের ইজতেমার সার্বিক প্রস্তুতি আয়োজন নিয়ে কথা হয় চট্টগ্রাম জেলা তাবলীগের মুরুব্বী মাওলানা মুহিউদ্দীন এর সাথে। তার দেয়া তথ্য মতে এ বছরের আয়োজন গত বছরের চেয়ে বৃহৎ পরিসরে হচ্ছে।

চারিদিকে থাকবে ৪টি পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার জন্য থাকবে তিন স্তরের ৫০০০ফোর্সের নিরাপত্তা বাহিনী।

সু-বিশাল সামিয়ানায় ১৫লক্ষাধিক মুসল্লির সংকুলানের কথা বলেন তিনি।

এ ছাড়াও ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের সুবিধার্তে নির্মাণ করা হয়ে ২৫০০স্থায়ী পাকা সেনিটেশন, অযু ও গোসলের জন্য ১৭টি হাউজ, ১০টি পুকুর ও সুপেয় পানির জন্য ১২টি নলকূপ।

অন্যদিকে বনও পরিবেশ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ নিজস্ব অর্থায়নে ৮০লক্ষ টাকা ব্যায়ে ইজতেমা মাঠ ঘেষে হালদা সেচ প্রকল্প(প্রকাশ আনিস খাল) এ মুসল্লিদের জন্য অর্ধ কিলোমিটার ব্যাপী পাকা ঘাটলা নির্মাণ করেছেন। যা মুসল্লিদের অযু-গোসলের সুবিধার পাশাপাশি ইজতেমার সৌন্দর্য্যকে আরো ফুটিয়ে তোলেছে।

এছাড়াও হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স ও বেসরকারি দাতব্য সংস্থাগুলো আগত মুসল্লিদের জন্য নিয়োজিত থাকবে ফ্রি চিকিৎসা সেবায়।