মোঃ তাসলিম উদ্দিন সরাইল প্রতিনিধি ঃ

সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নানা সমস্যার কারণে চিকিৎসা সেবা দারুণভাবে ব্যাহত হচ্ছে।   উপজেলার প্রায় ৪ লাখ মানুষ চিকিৎসা সেবার জন্য উক্ত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপর নির্ভরশীল।  কিন্তু ১৯ জন ডাক্তারের স্থলে মাত্র ৮জন ডাক্তার কর্মরত থাকায় ডাক্তার সংকটের কারণে রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন কর্তব্যরত ডাক্তারগণ।

সরাইল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বাহিরে ফিটফাট ভিতরে সদরঘাট
 সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যেন যম ঘর! যেখানে সাধারণ অসহায় গরীব মানুষরা চিকিৎসার জন্য যাবে, সেই স্বাস্থকেন্দ্রের অবস্থা খুবই করুণ,নিজেই রোগী হয়ে অাছে, সেদিকে কারও খেয়াল নেই।
গত রোববার  এ্যাম্বুলেন্স প্রদান কালে রোগীদের ওয়ার্ড সিট বালিশ অপরিস্কার চাদর বিহিন বেট দেখে স্হানিয় এমপি কষ্ট পেলেও  প্লাস্টিকে ঢাকা ভাঙ্গা জানালা দিয়ে অাকাশের সুর্ষি মামা উকি মেরে হাঁসালেন পরিদর্শনে  অতিথি বৃন্দকে ও সরাইল-অাশুগন্ঙ নির্বাচনী এলাকার সংসদসদস্য এডঃ জিয়াউল হক মৃধা, উপস্হিত ছিলেন, সরাইল উপজেলা সহকারী ভুমিকমিশনার মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন,  সরাইল স্বাস্থ্য প,প, কর্মকর্তা ডাঃ কাজি অাইনুল ইসলাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ শের অালম মিয়া, জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ পায়েল হোসেন মৃধা, অাওয়ামী লীগ নেতা হাজী ইকবাল হোসেন, অারো ছিলেন হাসপাতালের সকল কর্মকর্তা ওকর্মচারীগণ, এ সময় রোগীরা অভিযোগে বলে,
এ্যাম্বুলেন্স  হতদরিদ্র গরীব অসহায় মানুষ উন্নত চিকিৎসার জন্য  যাদের নুন আনতে পান্তা পুরাই। কিছুদিন পর দেখা যাবে এ্যাম্বুলেন্সটিও দালালের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে।একে বলে বাহিরে ফিটফাট আর ভিতরে সদরঘাট। জানা গেছে, সরাইল  উপজেলার ৯ ইউনিয়নের প্রায় ৪ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার জন্য কাগজ কলমে ৫০ শয্যার এই হাসপাতালটিতে জনবল সংকট এবং চিকিৎসা সেবার বেহাল দশা লেগেই আছে বছরের পর বছর। সিজার হয় না কয়েক বছর হয়।
 এখানে ১৯ জন বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎকের পদ রয়েছে।  তার মধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা সহ ৮ জন মেডিকেল অফিসার কর্মরত রয়েছেন।  উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকায় মাত্র
৭ জন মেডিকেল অফিসার দিয়ে খুড়িয়ে খুড়িয়ে নাই নাই বলে চলছে  সরাইল উপজেলার একমাত্র স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি।

সম্প্রতি সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, অসংখ্য রোগীর ভির।  হাসপাতালে রোগীদের ওয়ার্ড গুলো দুর্গন্ধে ভরা।  ফেনের কোনটার পাখা নাই।  বিদ্যুৎ চলে গেলে অন্ধকারেই থাকতে হয় রোগীদের। এসময়  কাজ করতে হিমশিম খেতে হয় ডাক্তারদের।

প্রতি দিন শতাধিক রোগী এ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে ডাক্তার অভাবে কাঙ্খিত সেবা না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন।  বিশেষজ্ঞ ডাক্তার না থাকায় জটিল রোগে আক্রান্ত অনেক রোগী জেলা শহর সহ ঢাকা রাজধানী হাসপাতালে

 বা ক্লিনিকে গিয়ে চিকিৎসা করতে বাধ্য হচ্ছে। হাসপাতাল সুএে জানাযায়,
বর্তমানে উক্ত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবল সংকট রয়েছে।  প্যাথলজিক্যাল টেকনিশিয়ান   পরিচ্ছন্নতাকর্মী নেই এবং ওয়ার্ড বয় না থাকায় জরুরী বিভাগের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে,  উপজেলায় ২২টি কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে।  উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা এসব ক্লিনিকগুলো পরিদর্শনে যাওয়ার জন্য কোন গাড়ী নেই।  ফলে মোটরসাইকেল যোগে এসব ক্লিনিক পরিদর্শন করে এসে তার পক্ষে রোগী দেখা সম্ভবপর হয়ে ওঠে না।